Facebook Pixel

বাংলাদেশের কৃষির দুটি উপ খাতের জিডিপির খাতওয়ারী প্রবৃদ্ধির হার নিম্নরূপ : ক. কৃষি পণ্যের বিপণন কি? খ. কৃষি খামার ও কৃষি জোত কোন অর্থে এক নয়? গ. উদ্দীপক হতে প্রাণিসম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহায্যে দেখাও। ঘ. বাংলাদেশে জিডিপিতে দুটি খাতের অবদানের তুলনামূলক আলোচনা কর।

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ বাংলাদেশের কৃষি

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদিত কৃষি পণ্য উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে তাকে কৃষি পণ্য বিপণন বলে। খ. কৃষি কাজ পরিচালনার দিক থেকে কৃষিখামার ও কৃষিজোত এক নয়। কোনো একজন কৃষকের অধীনে চাষযোগ্য জমির মোট পরিমাণকে কৃষিজোত বলে। আর কৃষিজোতের যে অংশে কৃষিকাজ পরিচালনা বা ফসল ফলানো হয় তাই কৃষি খামার। খামার মূলত ভূমি ব্যবস্থাপনাকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ যেখানে উৎপাদন কাজ পরিচালিত হয় তা খামার। কিন্তু কৃষিজোত উৎপাদনে সাথে সম্পর্কিত নয়। উৎপাদনযোগ্য হলে তা কৃষিজোত। তাই কৃষি খামার ও কৃষিজেত দুটি ভিন্ন ধারণা । গ. উদ্দীপকে প্রাণীসম্পদের প্রবৃদ্ধির হার হ্রাস-বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষির চারটি উপখাতের অন্যতম একটি খাত হলো প্রাণিসম্পদ খাত। সময়ের পরিবর্তনে এখাতের মোট উৎপাদন ক্রমশ বেড়ে চলছে। সাধারণ উৎপাদন বৃদ্ধির শতকরা হারকে প্রবৃদ্ধি বলা হয়। বিভিন্ন সময়ে প্রাণীসম্পদ খাতের প্রবৃদ্ধিতে হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটেছে । উদ্দীপকে বাংলাদেশের কৃষি দুটি উপখাতের প্রবৃদ্ধির হার দেওয়া হয়েছ। নিচে উক্ত তথ্যের আলোকে প্রাণিসম্পদ খাতের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রে দেখানো হলো ; উপরের চিত্রে ভূমি অক্ষে অর্থবছর এবং লম্ব অক্ষে প্রবৃদ্ধির হার নির্দেশ করা হয়েছে। ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রাণিসম্পদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৪৮%। ২০১১-১২ এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে এ প্রবৃদ্ধির হার যথাক্রমে ৩.৩৯% এবং ৩.৪৯% হয়। অর্থাৎ ২০১১-১২ অর্থবছরের হ্রাস পেলেও পরবর্তীতে আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘ. কোনো খাতের প্রবৃদ্ধির তথ্য থেকে জিডিপির অবদান সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। বাংলাদেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২.৫৭ মিলিয়ন হেক্টর। আর এই বন, কাঠ,ফল, মধু ও জ্বালানি ইত্যাদি নিয়েই বনজ সম্পদ উপখাত গঠিত। পক্ষান্তর, গৃহে ও খামারে পালিত নানা জাতীয় পশুপাখি নিয়েই বাংলাদেশের প্রাণিজসম্পদ উপখাত গঠিত। কৃষি খাতের এ উপখাতগুলোর অবদান প্রতিবছর এক রকম হয় না। উদ্দীপকে কৃষি খাতের দুটি উপখাত, যথা- প্রাণিজ সম্পদ ও বনসম্পদ খাতের প্রবৃদ্ধির হার তুলে ধরা হয়েছ। ২০১০-১১ অর্থবছরে জিডিপিতে প্রাণিজসম্পদ খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৪৮ শতাংশ এবং বনজ সম্পদ খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৯০শতাংশ। ২০১১-১২অর্থবছরে এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রাণীজ সম্পদ খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৩.৩৯ ও ৩.৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে বনজ সম্পদ খাতের অবদান ছিল যথাক্রমে ৪.৪২ ও ৪.৪৭। অর্থাৎ বনজ সম্পদ খাতের প্রবৃদ্ধি প্রাণিসম্পদের চেয়ে বেশি বেড়েছে। সাধারণ কোনো খাতের মোট উৎপাদন পূর্বের তুলনায় বেশি হলে ওই খাতের প্রবৃদ্ধি ঘটে। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হওয়ার অর্থ উক্ত খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া। তাই যে খাতের প্রবৃদ্ধি অধিক হয় সাধারণত সেই খাতের উৎপাদন অধিক হয়। এই কারণে ওই খাতের অবদান জিডিপিতে বেশি হয়। সুতরাং বলা যায় যে, বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ খাতের চেয়ে বনজসম্পদ খাতের অবদান কিছুটা বেশি, একই সাথে বনজসম্পদ খাতের অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

বাংলাদেশের কৃষির দুটি উপ খাতের জিডিপির খাতওয়ারী প্রবৃদ্ধির হার নিম্নরূপ :

ক.

কৃষি পণ্যের বিপণন কি? 

খ.

কৃষি খামার ও কৃষি জোত কোন অর্থে এক নয়?

গ.

উদ্দীপক হতে প্রাণিসম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহায্যে দেখাও। 

ঘ.

বাংলাদেশে জিডিপিতে দুটি খাতের অবদানের তুলনামূলক আলোচনা কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।