Facebook Pixel

বাংলাদেশের কৃষির দুটি উপখাতের GDP-এর খাতওয়ারি প্রবৃদ্ধির হার নিচে দেওয়া হলো- ক. কৃষি বিপণন কী? খ. চিংড়িকে White Gold বলা হয় কেন? গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহয্যে দেখাও। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের GDP-তে দুটি খাতের অবদানের তুলনামূলক বর্ণনা দাও।

বিষয়: অর্থনীতি ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ বাংলাদেশের কৃষি

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: ক. কৃষকদের কাছ থেকে কৃষিপণ্য যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোক্তার কাছে পৌঁছায় সে প্রক্রিয়াকে কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থা বলে। খ. "পৃথিবীর ৬০টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশ থেকে চিংড়ি রপ্তানি হয়।" বর্তমানে মৎস্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ যে পরিমাণ অর্থ আয় করে তার শতকরা ৮৬% আসে চিংড়ি রপ্তানি করে। আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে চিংড়ি রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। তাই চিংড়িকে সাদা সোনা বলা হয়। গ. উদ্দীপকের তথ্য অনুসারে বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহায্যে দেখানো হল। বর্তমানে দেশে মোট বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লক্ষ হেক্টর , যা দেশের আয়তনের শতকরা ১৫ . ৫৮ শতাংশ। কাঠ , বাঁশ , রাবার , জ্বালানি ইত্যাদি দিয়ে বন সম্পদ উপখাত গঠিত। চিত্রঃ চিত্র , X অক্ষ বরাবর অর্থবছর এবং Y অক্ষ বরাবর প্রবৃদ্ধির হার দেখানো হয়েছে। চিত্রে দেখা যায় , ২০১৫ - ১৬ অর্থবছরে বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ . ১২ % । যা ২০১৬ - ১৭ সালে বের হয়েছে ৫ . ৬ % এবং ২০১৮ - ১৯ অর্থবছরের তা সর্বোচ্চ ১৮ . ৩৪ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়। ঘ. উদ্দীপকে প্রদত্ত দুটি খাত হলো প্রাণিজ ও বনজ সম্পদ। প্রবৃদ্ধির হারের সাহায্যে নিম্নে দুটি খাতের GDP- তে অবদানের তুলনা করা হলো। বাংলাদেশে বর্তমানে বনভূমির পরিমাণ ১৫ . ৫৮ শতাংশ। আর এই পরিমাণ বনভূমি নিয়েই আমাদের বনজ সম্পদ উপখাত গঠিত। পক্ষান্তরে , গৃহে ও খামারে পালিত নানা রকম পশু - পাখি নিয়ে আমাদের প্রাণীজ সম্পদ উৎখাত গঠিত। উল্লেখিত দুটি খাতই বাংলাদেশের GDP- তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও দুইটির অবদান সমান নয়। উদ্দীপকে কৃষি খাতের দুটি উপখাত যথাঃ ( ১ ) প্রাণীজ সম্পদ ও ( ২ ) বনজ সম্পদ নিয়ে একটি প্রবৃদ্ধি হারের চার্ট দেখানো হয়েছে। যেখানে দেখা যায় , ২০১৫ - ১৬ অর্থবছরে GDP- তে প্রাণীর সম্পদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ . ২০ শতাংশ অপরদিকে বন সম্পদের ছিল ৫ . ১২ % । এখানে বনজ সম্পদের অবদান ছিল বেশি। আবার , ২০১৬ - ১৭ অর্থবছরে প্রাণিজ সম্পদের প্রবৃদ্ধি হার ছিল ৩ . ৩১ শতাংশ ও বনজ সম্পদের ছিল ৫ . ৬০ শতাংশ। এভাবে , ২০১৭ - ১৮ ও ২০১৮ - ১৯ অর্থবছরে প্রাণিজ ও বনজ সম্পদ এদের প্রবৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৩ . ৪১ ও ৫ . ৫১ শতাংশ এবং ৩ . ৫৪ ও ৮ . ৩৪ শতাংশ। উদ্দীপকের ছক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় , প্রাণিজ ও বনজ উপখাতই GDP- খাতে তাদের অবদান দিন দিন বাড়িয়েই চলছে। যা দেশের অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর বিষয়। তবে , যদি আমরা দুইটি পক্ষের মধ্যে তুলনা করি , তবে স্পষ্ট তো দেখা যায় , প্রাণীজ সম্পদের তুলনায় , বনজ সম্পদের অবদান অধিক ও দিন দিন তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

বাংলাদেশের কৃষির দুটি উপখাতের GDP-এর খাতওয়ারি প্রবৃদ্ধির হার নিচে দেওয়া হলো-

ক.

কৃষি বিপণন কী?

খ.

চিংড়িকে White Gold বলা হয় কেন?

গ.

উদ্দীপকে উল্লিখিত বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার লেখচিত্রের সাহয্যে দেখাও।

ঘ.

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাংলাদেশের GDP-তে দুটি খাতের অবদানের তুলনামূলক বর্ণনা দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।