Facebook Pixel

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফলে পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে অন্য প্রাপ্তে কী ঘটছে তা জানা যাচ্ছে। ঢাকায় বসে লন্ডনে ছোট ভাইয়ের সাথে কথা বলছে, মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে খবর আদান-প্রদান হচ্ছে। ঘরে বসে ভালো প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরম পূরণ করে ভর্তি হচ্ছে, ব্লগে লিখে চিন্তাচেতনা জানিয়ে দিচ্ছে। সারা পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখছে। ঘরে বসে জনগণ সরকারের কাছ থেকে সেবা ও বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছে। ক. ই-গর্ভনেন্স কাকে বলে? খ. ই-গর্ভনেন্সের দুটি উদ্দেশ্য লেখ। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ঘরে বসে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখছে'- কীভাবে, বুঝিয়ে লেখ। ঘ. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের কল্যাণে বিরাট ভূমিকা রাখছে-সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৪ঃ ই-গভনের্ন্স ও সুশাসন

উৎস: Test Exam Question HCCD 2026

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) ই-গভর্ন্যান্স হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যম বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা, তথ্য আদান-প্রদান এবং নাগরিক পরিষেবা প্রদান করার একটি আধুনিক পদ্ধতি। (খ) ই-গভর্ন্যান্সের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো: ১. সরকারি সেবাগুলোকে সরাসরি নাগরিকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং সেবার মান ও সহজলভ্যতা বৃদ্ধি করা। ২. সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ কমিয়ে একটি জনবান্ধব ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। (গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ঘরে বসে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখছে' বিষয়টি মূলত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে, যা ই-গভর্ন্যান্সের মূল ভিত্তি। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ভৌগোলিক দূরত্ব এখন আর কোনো বাধা নয়। মানুষ এখন মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের তথ্য সংগ্রহ এবং যোগাযোগ করতে পারছে। উদ্দীপকের ব্যক্তি যেভাবে ঘরে বসে লন্ডনে কথা বলছেন বা অনলাইনে ভর্তি ফরম পূরণ করছেন, তা ই-গভর্ন্যান্সের 'অনলাইন মিথস্ক্রিয়া' এবং 'জি-টু-সি' (G2C - Government to Citizen) মডেলের প্রতিফলন। প্রযুক্তির এই কল্যাণে নাগরিকরা সরকারি ও বেসরকারি সেবা দ্রুত প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারছে, যার ফলে বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। (ঘ) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করছে। আমার মতে, এটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনকল্যাণের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। প্রথমত, ই-গভর্ন্যান্সের ফলে সরকারি তথ্যে নাগরিকদের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফাইল ব্যবস্থাপনা ও সেবা প্রদানের ফলে সময়, খরচ এবং যাতায়াতের ভোগান্তি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত মোবাইল বার্তা, ভিডিও কল এবং অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়ার মতো সুবিধাগুলো মূলত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিরই ব্যবহারিক দিক। এটি নাগরিক সেবাকে দুর্নীতিমুক্ত ও গতিশীল করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করছে এবং ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনছে। পরিশেষে বলা যায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর এই শাসনব্যবস্থা জনগণের জীবনমান উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর। এটি কেবল সেবাপ্রাপ্তি সহজ করেনি, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে একটি সরাসরি ও কার্যকর মেলবন্ধন তৈরির মাধ্যমে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Writtenনির্বাচনী পরীক্ষা - Holy Cross College, Dhaka (2026)

বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফলে পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে অন্য প্রাপ্তে কী ঘটছে তা জানা যাচ্ছে। ঢাকায় বসে লন্ডনে ছোট ভাইয়ের সাথে কথা বলছে, মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে খবর আদান-প্রদান হচ্ছে। ঘরে বসে ভালো প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফরম পূরণ করে ভর্তি হচ্ছে, ব্লগে লিখে চিন্তাচেতনা জানিয়ে দিচ্ছে। সারা পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখছে। ঘরে বসে জনগণ সরকারের কাছ থেকে সেবা ও বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছে।

ক. ই-গর্ভনেন্স কাকে বলে?

খ. ই-গর্ভনেন্সের দুটি উদ্দেশ্য লেখ।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ঘরে বসে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখছে'- কীভাবে, বুঝিয়ে লেখ।

ঘ. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের কল্যাণে বিরাট ভূমিকা রাখছে-সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।