Facebook Pixel

প্রবাল দ্বীপ আমাদের পরিচিত; এই দ্বীপ তৈরি করে নির্দিষ্ট পর্বের সদস্য। আবার সিলোমের ভিত্তিতেও প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। ক. ত্রিপদ নামকরণ কী? খ. কর্ডাটা পর্বের সদস্যকে কেন মেরুদণ্ডী বলা হয়? গ. প্রবাল তৈরিকারী প্রাণী পর্বের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি বিশ্লেষণ করো।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০১ঃ প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস

উৎস: Board Exam Question ChB 2021

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) জীবের নামকরণের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী গণ, প্রজাতি ও উপপ্রজাতি নামের তিনটি পদ ব্যবহার করে জীবের যে নামকরণ করা হয়, তাকে ত্রিপদ নামকরণ বলে। (খ) কর্ডাটা পর্বের প্রাণীদের জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে পৃষ্ঠ-মধ্যরেখা বরাবর একটি দণ্ডাকার ও স্থিতিস্থাপক নটোকর্ড থাকে। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ক্ষেত্রে ভ্রূণীয় নটোকর্ডটি পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই কর্ডাটা পর্বের সদস্যদের মেরুদণ্ডী বলা হয়। (গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রবাল তৈরিকারী প্রাণীটি নিডারিয়া পর্বের অন্তর্ভুক্ত। নিডারিয়া পর্বের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো: ১. এদের দেহ দ্বিস্তরীয়, অর্থাৎ ভ্রূণীয় কোষস্তর এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্ম থেকে গঠিত। ২. দেহপ্রাচীরের দুই স্তরের মাঝে অকোষীয় জেলি সদৃশ মেসোগ্লিয়া থাকে। ৩. এদের দেহ অরীয় প্রতিসম। ৪. এদের দেহে সিলেন্টেরন নামক একটি কেন্দ্রীয় পরিপাক গহ্বর থাকে। ৫. এদের দেহে নিডোসাইট নামক বিশেষ কোষ থাকে, যা আত্মরক্ষা ও খাদ্য গ্রহণে সাহায্য করে। ৬. এদের জীবনচক্রে পলিপ ও মেডুসা নামক দুই ধরনের দৈহিক গঠন দেখা যায়। ৭. এদের দেহে কোনো সুগঠিত সংবহনতন্ত্র, শ্বসনতন্ত্র বা রেচনতন্ত্র নেই। (ঘ) প্রাণীদেহে সিলোম বা দেহগহ্বরের উপস্থিতি ও গঠনের ওপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। উদ্দীপকের শেষ বাক্যের আলোকে সিলোমের ভিত্তিতে প্রাণীদের শ্রেণিবিন্যাস নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: ১. অ্যাসিলোমেট: যেসব প্রাণীর দেহে সিলোম বা দেহগহ্বর থাকে না, তাদের অ্যাসিলোমেট বলে। এদের ভ্রূণীয় পরিস্ফুটনের সময় ব্লাস্টোসিল মেসোডার্মাল প্যারেনকাইমা কোষে পূর্ণ থাকে। উদাহরণ: পরিফেরা, নিডারিয়া, প্লাটিহেলমিনথিস। ২. স্যুডোসিলোমেট বা অপ্রকৃত সিলোমেট: যেসব প্রাণীর দেহপ্রাচীর ও পৌষ্টিকনালির মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানটি পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে না, তাদের স্যুডোসিলোমেট বলে। এদের দেহগহ্বর মেসোডার্মাল কোষস্তর দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত থাকে না। উদাহরণ: নেমাটোডা, রোটিফেরা। ৩. ইউসিলোমেট বা প্রকৃত সিলোমেট: যেসব প্রাণীর দেহগহ্বর ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত এবং পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা সম্পূর্ণ আবৃত থাকে, তাদের ইউসিলোমেট বলে। এরা উন্নত প্রাণী হিসেবে বিবেচিত। উদাহরণ: অ্যানেলিডা, আর্থ্রোপোডা, কর্ডাটা ইত্যাদি।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenChattogram Board (2021)

প্রবাল দ্বীপ আমাদের পরিচিত; এই দ্বীপ তৈরি করে নির্দিষ্ট পর্বের সদস্য। আবার সিলোমের ভিত্তিতেও প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।

ক. ত্রিপদ নামকরণ কী?

খ. কর্ডাটা পর্বের সদস্যকে কেন মেরুদণ্ডী বলা হয়?

গ. প্রবাল তৈরিকারী প্রাণী পর্বের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি বিশ্লেষণ করো।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ

A এর দেহগহ্বর মেসেনকাইম ও পেশি দ্বারা পূর্ণ থাকে। B এর দেহগহ্বর মেসোডার্মাল পেরিটোনিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে না। C এর দেহগহ্...

A এর দেহগহ্বর মেসেনকাইম ও পেশি দ্বারা পূর্ণ থাকে। B এর দেহগহ্বর মেসোডার্মাল পেরিটোনিয়াম দ্বারা আবৃত থাকে না। C এর দেহগহ্...

A ও B পর্বভুক্ত প্রাণীগুলো পরজীবী। A এর প্রাণীগুলো চ্যাপ্টা এবং B এর প্রাণীগুলো নলাকার। অন্যদিকে C পর্বভুক্ত প্রাণীরা পঞ...

Acoelomates প্রাণী নিচের কোনটি?

Actinoptergii এর ক্ষেত্রে কোনটি সমর্থন করে?

Actinoptergii ও Sarcopterygii শ্রেণিকে একত্রে কী বলে?

Actinopterygii-র বৈশিষ্ট্য হলো- i. তরুনাস্থিময় ii. সাইক্লয়েড আঁইশ iii.পটকা বিদ্যমান নিচের কোনটি সঠিক?

Annelida (অ্যানেলিডা) পর্বের প্রাণীদের রেচন অঙ্গের নাম কী?

Annelida-এর বৈশিষ্ট্য কোনটি?

Annelida পর্বকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।