Facebook Pixel

প্রকৃত কোষে দু'ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়— X কোষ বিভাজন : বিবর্তন ও জনুক্রমের সাথে সম্পর্ক নেই। Y কোষ বিভাজন : জনন মাতৃকোষে ঘটে এবং ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়। এর একটি উপ-পর্যায়ে সিন্যাপসিস ঘটে। ক. কোষ চক্র কী খ. মিয়োসিস-২ কে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয় কেন গ. উদ্দীপকে Y এর শেষ লাইনে যে উপ-পর্যায়টিকে নির্দেশ করে তার বর্ণনা লেখ ঘ. 'X' কোষ বিভাজনটি উচ্চ শ্রেণির জীবের জন্য অপরিহার্য হলেও অনেক সময় মৃত্যু ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।—এ সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো

বিষয়: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ কোষ বিভাজন

উৎস: Board Exam Question MSB 2024, Board Exam Question MSB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) একটি কোষের সৃষ্টি, বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে বিভাজনের মাধ্যমে দুটি অপত্য কোষ তৈরির যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, তাকে কোষচক্র বলা হয়। (খ) মিয়োসিস-২ বিভাজনটি অনেকটা মাইটোসিসের মতো। মিয়োসিস-১ এর শেষে উৎপন্ন হ্যাপ্লয়েড কোষগুলো মিয়োসিস-২ তে প্রবেশ করে। এ পর্যায়ে প্রতিটি ক্রোমোজোমের সিস্টার ক্রোমাটিডগুলো আলাদা হয়ে যায়, কিন্তু ক্রোমোজোম সংখ্যার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। মাতৃকোষে যে কয়টি ক্রোমোজোম থাকে, অপত্য কোষেও সেই একই সংখ্যক ক্রোমোজোম বজায় থাকে বলে মিয়োসিস-২ কে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয়। (গ) উদ্দীপকের 'Y' কোষ বিভাজনটি হলো মিয়োসিস। এর শেষ লাইনে উল্লিখিত উপ-পর্যায়টি হলো জাইগোটিন। জাইগোটিন উপ-পর্যায়ের বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো: ১. এ পর্যায়ে হোমোলোগাস বা সমসংস্থ ক্রোমোজোমগুলো পরস্পর জোড় বাঁধে। এই জোড় বাঁধার প্রক্রিয়াকে সিন্যাপসিস বলে। ২. হোমোলোগাস ক্রোমোজোমদ্বয়ের মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণের ফলে এই জোড় সৃষ্টি হয়। ৩. জোড় বাঁধার প্রক্রিয়াটি ক্রোমোজোমের এক প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে অন্য প্রান্তে বিস্তার লাভ করতে পারে অথবা সেন্ট্রোমিয়ারের কাছাকাছি থেকে শুরু হতে পারে। ৪. প্রতিটি জোড়বাঁধা ক্রোমোজোম জোড়াকে বাইভ্যালেন্ট বলা হয়। ৫. এ পর্যায়ে নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার এনভেলাপ স্পষ্ট থাকে। (ঘ) উদ্দীপকের 'X' কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস। মাইটোসিস উচ্চ শ্রেণির জীবের দৈহিক বৃদ্ধি, কোষের ক্ষয়পূরণ এবং বংশবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। তবে এই বিভাজন প্রক্রিয়াটি কোষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন ফ্যাক্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। যখন এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে, তখন কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হতে থাকে, যা মৃত্যু ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের ফলে টিউমার ও ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। ক্যান্সার কোষগুলো অস্বাভাবিক হারে বিভাজিত হয়ে শরীরের স্বাভাবিক কোষের পুষ্টি গ্রহণ করে এবং সুস্থ টিস্যুকে ধ্বংস করে। অনেক সময় প্যাপিলোমা ভাইরাসের মতো ক্ষতিকর ভাইরাস কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণকারী প্রোটিন অণুর কাজ ব্যাহত করে, ফলে কোষ বিভাজনের নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায়। এই অনিয়ন্ত্রিত বিভাজনই টিউমার বা ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বা ক্যান্সারের রূপ নেয়, যা সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে প্রাণঘাতী হতে পারে। সুতরাং, মাইটোসিস স্বাভাবিক অবস্থায় জীবনের জন্য আশীর্বাদ হলেও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তা জীবনের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenMymensingh Board (2024)Mymensingh Board (2025)

প্রকৃত কোষে দু'ধরনের কোষ বিভাজন দেখা যায়— X কোষ বিভাজন : বিবর্তন ও জনুক্রমের সাথে সম্পর্ক নেই। Y কোষ বিভাজন : জনন মাতৃকোষে ঘটে এবং ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়। এর একটি উপ-পর্যায়ে সিন্যাপসিস ঘটে।

ক. কোষ চক্র কী খ. মিয়োসিস-২ কে সমীকরণিক বিভাজন বলা হয় কেন গ. উদ্দীপকে Y এর শেষ লাইনে যে উপ-পর্যায়টিকে নির্দেশ করে তার বর্ণনা লেখ ঘ. 'X' কোষ বিভাজনটি উচ্চ শ্রেণির জীবের জন্য অপরিহার্য হলেও অনেক সময় মৃত্যু ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।—এ সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।