Facebook Pixel

প্রকৃতকোষী জীবে দৈহিক বৃদ্ধি এক ধরনের কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ঘটে। আবার অন্য এক ধরনের কোষ বিভাজনের মাধ্যমে জনন কোষ সৃষ্টি হয়। (ক) ক্যারিওকাইনেসিস কী? (খ) অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস বলতে কী বোঝায়? (গ) উদ্দীপকের প্রথম ধরনের কোষ বিভাজনের চতুর্থ দশাটি চিত্রসহ বর্ণনা কর। (ঘ) উদ্দীপকের দ্বিতীয় ধরনের কোষ বিভাজনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

বিষয়: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০২ঃ কোষ বিভাজন

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস থেকে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্যারিওকাইনেসিস বলে। (খ) মাইটোসিস কোষ বিভাজন কোষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন ফ্যাক্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। যখন কোনো কারণে কোষের এই স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হতে থাকে, তখন তাকে অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস বলে। এর ফলে টিউমার বা ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। টিউমার সৃষ্টি হওয়াকে অনকোজেনেসিস এবং দেহের বিভিন্ন অংশে টিউমার ছড়িয়ে পড়াকে মেটাস্ট্যাসিস বলা হয়। (গ) উদ্দীপকের প্রথম ধরনের কোষ বিভাজনটি হলো মাইটোসিস। এর চতুর্থ দশাটি হলো অ্যানাফেজ। নিচে এর বর্ণনা দেওয়া হলো: অ্যানাফেজ পর্যায়ে প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, ফলে ক্রোমাটিড দুটি আলাদা হয়ে পড়ে। প্রতিটি ক্রোমাটিড এখন একটি করে সেন্ট্রোমিয়ারসহ অপত্য ক্রোমোজোম হিসেবে গণ্য হয়। অপত্য ক্রোমোজোমগুলোর মধ্যে বিকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় এরা বিষুবীয় অঞ্চল থেকে পরস্পর বিপরীত মেরুর দিকে অগ্রসর হতে থাকে। মেরুর দিকে যাওয়ার সময় সেন্ট্রোমিয়ার অগ্রগামী থাকে এবং বাহুদ্বয় অনুগামী হয়। সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে ক্রোমোজোমগুলো ইংরেজি অক্ষর V, L, J বা I আকৃতির দেখায়। (ঘ) উদ্দীপকের দ্বিতীয় ধরনের কোষ বিভাজনটি হলো মায়োসিস। এর তাৎপর্য নিচে বিশ্লেষণ করা হলো: ১. জননকোষ সৃষ্টি: মায়োসিসের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড জননকোষ বা গ্যামিট উৎপন্ন হয়, যা যৌন প্রজননের জন্য অপরিহার্য। ২. ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুব রাখা: মায়োসিস প্রক্রিয়ায় ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়, ফলে যৌন প্রজননের সময় গ্যামিট মিলনের পর জাইগোটে ক্রোমোজোম সংখ্যা পুনরায় স্বাভাবিক বা ডিপ্লয়েড অবস্থায় ফিরে আসে। এটি বংশানুক্রমে প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুব রাখে। ৩. বৈচিত্র্য সৃষ্টি: মায়োসিসের সময় ক্রসিং ওভার ও স্বাধীন বিন্যাসের ফলে নতুন জিনগত বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব ঘটে, যা জীববৈচিত্র্য ও বিবর্তনের ধারা বজায় রাখে। ৪. জনুক্রম: যেসব জীবের জীবনচক্রে জনুক্রম দেখা যায়, সেখানে মায়োসিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া মেন্ডেলের বংশগতিবিদ্যার সূত্রগুলো মায়োসিস বিভাজনের মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

Written

প্রকৃতকোষী জীবে দৈহিক বৃদ্ধি এক ধরনের কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ঘটে। আবার অন্য এক ধরনের কোষ বিভাজনের মাধ্যমে জনন কোষ সৃষ্টি হয়।

(ক) ক্যারিওকাইনেসিস কী?

(খ) অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস বলতে কী বোঝায়?

(গ) উদ্দীপকের প্রথম ধরনের কোষ বিভাজনের চতুর্থ দশাটি চিত্রসহ বর্ণনা কর।

(ঘ) উদ্দীপকের দ্বিতীয় ধরনের কোষ বিভাজনের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।