Facebook Pixel

পৌরনীতি ক্লাসে জনাব 'Y' বলেন, "এমন কিছু অধিকার আছে, যা সারা বিশ্বের সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এসব অধিকারের সাথে জাতিসংঘের একটি সম্পর্ক আছে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এসব অধিকার বাস্তবায়ন করা অপরিহার্য।" ক. নৈতিক অধিকার কী? খ. আইনগত কর্তব্য বলতে কী বোঝায়? গ. জনাব 'Y'-এর বক্তব্যে তোমার পঠিত কোন ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. তুমি কি মনে কর যে, উদ্দীপকে প্রতিফলিত ধারণাটি নিশ্চিতকরণে সুশাসন অপরিহার্য? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র | অধ্যায়: অধ্যায়-০৩ঃ মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য

উৎস: Board Exam Question SB 2025

সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা: (ক) নৈতিক অধিকার বলতে সেইসব অধিকারকে বোঝায়, যা মানুষের বিচারবুদ্ধি, বিবেক ও ন্যায়বোধ থেকে উদ্ভূত। (খ) আইনগত কর্তব্য বলতে সেইসব দায়িত্বকে বোঝায়, যা রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত এবং রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা কার্যকর করা হয়। নাগরিকের জন্য এই কর্তব্যগুলো পালন করা বাধ্যতামূলক। এসব কর্তব্য ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র আইন অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা করে। যেমন: নিয়মিত কর প্রদান করা, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা এবং আইন মেনে চলা ইত্যাদি। (গ) জনাব 'Y'-এর বক্তব্যে আমার পঠিত 'মানবাধিকার' (Human Rights) ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে। মানবাধিকার হলো মানুষের জন্মগত, স্বাভাবিক ও সার্বজনীন অধিকার। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা নাগরিকতা নির্বিশেষে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণের কারণে এই অধিকারগুলোর দাবিদার। এই অধিকারগুলো ব্যক্তির মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। উদ্দীপকের পৌরনীতি ক্লাসে জনাব 'Y' বলেছেন, "এমন কিছু অধিকার আছে, যা সারা বিশ্বের সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এসব অধিকারের সাথে জাতিসংঘের একটি সম্পর্ক আছে।" এই বক্তব্যের মাধ্যমে মানবাধিকারের সার্বজনীনতা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ) ফুটে উঠেছে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই অধিকারগুলোর বাস্তবায়ন অপরিহার্য, কারণ মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে সমাজে অস্থিরতা ও সংঘাত সৃষ্টি হয়। (ঘ) হ্যাঁ, আমি মনে করি যে উদ্দীপকে প্রতিফলিত মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে সুশাসন অপরিহার্য। সুশাসন হলো আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনঅংশগ্রহণের একটি সমন্বিত রূপ। মানবাধিকারের পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য সুশাসনের প্রতিটি উপাদান গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, আইনের শাসন থাকলে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করতে পারে না, ফলে মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে। দ্বিতীয়ত, জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে রাষ্ট্র বা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়। তৃতীয়ত, স্বচ্ছতা ও জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয় এবং তা দাবি করতে পারে। উদ্দীপকের জনাব 'Y' যে বিশ্বজনীন অধিকারের কথা বলেছেন, তা নিশ্চিত করতে হলে একটি রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যা কেবল সুশাসনের মাধ্যমেই সম্ভব। সুশাসনের অভাব থাকলে বাকস্বাধীনতা খর্ব হয়, রাজনৈতিক নিপীড়ন বৃদ্ধি পায় এবং বৈষম্য তৈরি হয়, যা সরাসরি মানবাধিকারের পরিপন্থী। সুতরাং, মানবাধিকারের সুরক্ষা ও বাস্তবায়ন এবং মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য সুশাসন একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত।

প্ল্যাটফর্ম: প্রশ্নাবলী (https://proshnaboli.com)

WrittenSylhet Board (2025)

পৌরনীতি ক্লাসে জনাব 'Y' বলেন, "এমন কিছু অধিকার আছে, যা সারা বিশ্বের সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এসব অধিকারের সাথে জাতিসংঘের একটি সম্পর্ক আছে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এসব অধিকার বাস্তবায়ন করা অপরিহার্য।"

ক. নৈতিক অধিকার কী?

খ. আইনগত কর্তব্য বলতে কী বোঝায়?

গ. জনাব 'Y'-এর বক্তব্যে তোমার পঠিত কোন ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. তুমি কি মনে কর যে, উদ্দীপকে প্রতিফলিত ধারণাটি নিশ্চিতকরণে সুশাসন অপরিহার্য? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

আনলিমিটেড প্র্যাকটিস করতে চান?

প্রশ্নাবলীতে আছে ২ লাখ+ প্রশ্ন। এইচএসসি এবং এডমিশন পরীক্ষার উত্তরসহ চ্যাপ্টারভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক, অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক মক টেস্ট এবং লাইভ লিডারবোর্ড।

পরীক্ষা দিতে অ্যাকাউন্ট খুলুন

যেকোনো প্রকার ভুলভ্রান্তি বা রিপোর্ট করার জন্য অ্যাকাউন্ট খুলে প্রশ্নের রিপোর্ট বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের এডিশনাল টিম তা দ্রুত সংশোধন করবে।